স্টাফ রিপোর্টার :
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার ষড়যন্ত্রকারীরাই ২১ আগস্ট বোমা হামলায় জড়িত দাবি করে ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র, আওয়ামী লীগের উপদেস্টা পরিষদের সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী আমির হোসেন আমু এমপি। বৃহস্পতিবার বিকেলে ঝালকাঠি টেলিভিশন সাংবাদিক সমিতি আয়োজিত জাতীয় শোক দিবসের আলোচনা সভায় ভার্চুয়াল সংযুক্তিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। আমির হোসেন আমু বলেন, বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন বাঙালি জাতিকে একটি সমৃদ্ধশালী জাতিতে পরিণত করতে। বাংলাদেশ যখন বিশ্বের বুকে মাথা তুলে দাঁড়াতে শিখছিল, ঠিক তখনই তাকে হত্যা করা হয়। ১৫ আগস্ট নারী ও শিশুসহ বঙ্গবন্ধুকে যেভাবে হত্যা করা হয়, এমন হত্যাকাÐ পৃথিবীর কোথাও হয়নি। আল্লাহর রহমতে সেদিন শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা বেঁচে যান। আল্লাহ শেখ হাসিনাকে বাঁচিয়ে একটি জাতিকে বাঁচিয়েছেন।
আওয়ামী লীগের বর্ষিয়ান নেতা আমু বলেন, জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের স্বীকৃতি দিয়েছেন। হত্যাকারীদের পালাতে সহযোগিতা করেছেন। তাদের বিভিন্ন দূতাবাসে চাকরি দিয়ে পুনর্বাসন করেছেন। ইনডেমনিটি আইন করে খুনিদের বিচার আটকে দেওয়ার কাজটিও করেছিলেন জিয়া। স্বাধীনতা বিরোধী চক্ররা এখনো সক্রিয়, তারাই শেখ হাসিনাকে হত্যার ষড়যন্ত্র করে আসছে। ১৫ ও ২১ আগস্টের ঘটনার সঠিক তদন্ত করে বিএনপি-জামায়াতসহ দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে, যাতে এ ধরণের কার্যক্রম ভবিষ্যতে কেউ না করতে পারে।
সাবেক এ মন্ত্রী বলেন, বিএনপির জন্ম হয়েছে মানুষ হত্যা করে, তাই তারা কখনোই জনগণের মঙ্গল কামনা করতে পারে না। তারা যখন ক্ষমতায় আসে, তখন স্বাধীনতা বিরোধীদের এমপি-মন্ত্রী বানানো হয়। জাতির কলঙ্কিত সন্তানদের গাড়িতে পতাকা দেওয়া হয়। তাই শেখ হাসিনাকেই ক্ষমতায় রাখতে হবে। এতে যেমন উন্নয়ন হবে দেশের, তেমনি বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ মাথা তুলে দাঁড়াবে।
ঝালকাঠি টেলিভিশন সাংবাদিক সমিতির সভাপতি কাজী খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সরদার মো. শাহ আলম, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খান সাইফুল্লাহ পনির, পৌর মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি লিয়াকত আলী তালুকদার, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি সালাহউদ্দিন আহম্মেদ সালেক, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সভাপতি অধ্যাপক ডা. অসীম কুমার সাহা যুগ্মসম্পাদক তরুন কর্মকার, জেলা যুবলীগের আহ্বায়ক রেজাউল করিম জাকির ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আল মাহমুদ। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন টেলিভিশন সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শফিউল আজম টুটুল, সহসভাপতি শ্যামল সরকার, সাবেক সভাপতি হেমায়েত উদ্দিন হিমু, সাবেক আহ্বায়ক আজমীর হোসেন তালুকদার, সহসভাপতি মাসুদুল আলম, যুগ্ম সম্পাদক অলোক সাহা ও সাংগঠনিক সম্পাদক কে এম সবুজ। পরে বঙ্গবন্ধুসহ ১৫ আগস্ট নিহতের আত্মার শান্তি কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
জনতার কণ্ঠ 24 সংবাদ
বিএনপিতে অনুপ্রবেশকারীরা আ.লীগের নেতাকর্মীদের নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে
স্টাফ রিপোর্টার : ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার সুবিদপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম খানের বিরুদ্ধে …